মোঃ আশরাফুল ইসলাম। স্টাফ রিপোর্টার
২০মার্চ ৯ হামিদপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র দলীয় কার্যালয় ৯ নং ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার ও সহ-সভাপতি মফিজুল ইসলাম সহ বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ এক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাংবাদিকদের কে অভিযোগ করেন যে ৫ই আগস্টের পর স্বৈরাচার বিদায় হলেও স্বৈরাচারের দোসর দের সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন রকমের অনিয়ম করে যাচ্ছে ইউনিয়ন বিএনপি এর সভাপতি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হারুনুর রশিদ মুকুল। নেতৃবৃন্দ বলেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকার মা ভীষণ টিভি নেটওয়ার্কের সমস্ত মেশিনের যন্ত্রাংশ লুট করে নিয়ে যায় যার আনুমানিক মূল্য ১২ লক্ষ টাকা এই মর্মে পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান। অন্যদিকে অ্যাংকর কোম্পানির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করার কারণে পার্বতীপুর থানা আরও একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়। অন্যদিকে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিতে বয়সের কারণে যাদের চাকরি ছেড়ে দিতে হয় সেই জায়গায় পুনঃ নিয়োগে অনৈতিক ভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। ৯ নাম হামিদপুর ইউনিয়নের বরেন্দ্র অপারেটর নিয়োগ বাবদ অনৈতিক ভাবে লেনদেনের অভিযোগ আনেন স্বাক্ষরিত বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ । একই কায়দায় ৯ নং হামিদপুর ইউনিয়নের অনেক ভাটা থেকে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বলে জানান লিখিত বক্তব্যে বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। এতসব অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছেন ৯ নং হামিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা গোলাম মোঃ সরওয়ার মোহাম্মদ মফিজুল হক সভাপতি ৯ নং ইউনিয়ন বিএনপি, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ৯ নং মোহাম্মদ এহসানুল হক শামীম, হামিদপুর ইউনিয়নের , ৩নং ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক , কৃষকদলের কার্জনের ভাইয়ের সদস্য নয় নং আহমেদপুর ইউনিয়নের দুলাল সব বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অন্যদিকে অভিযুক্ত হারুনুর রশিদ মুকুল ও লুৎফর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সম্পর্কে তারা বলেন এসব অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদেরকে সামাজিক ও দলীয়ভাবে ভাবে হেও ও প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। তারা বলেন আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে অনেক মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছি আমাদের নামে এখনো মামলা রয়েছে। তারা দুজনেই বলেন আমরা অন্যায় ও কোন দুর্নীতি করিনি।।